Tuesday, May 21, 2024
32.3 C
Rajshahi
spot_img
হোমক্যাম্পাস৩য় সমাবর্তন করছে সাত কলেজ

৩য় সমাবর্তন করছে সাত কলেজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ নভেম্বর) বেলা ১২ টার দিকে কার্জন হল থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। জাতীয় সংগীত গাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। একইসাথে ৩য়-বারের মতো সমাবর্তনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করছেন অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা।

এর আগে রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কনস্টিট্যুয়েন্ট কলেজের অধ্যক্ষ ও পরিচালকদের অংশগ্রহণে কার্জন হল থেকে সমাবর্তন শোভাযাত্রা শুরু হয়।

এরই মধ্যে সার্বিক নিরাপত্তাসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সমাবর্তন ঘিরে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এই সমাবর্তনেও সরাসরি অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাচ্ছেন না সাত কলেজের গ্র্যাজুয়েটরা। এলইডি স্ক্রিনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই ভেন্যু থেকে মূল অনুষ্ঠানে যুক্ত হচ্ছেন তারা। ঢাকা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজের গ্র্যাজুয়েটরা অংশ নিচ্ছেন ঢাকা কলেজ ভেন্যু থেকে আর ইডেন কলেজ ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের গ্র্যাজুয়েটরা অংশ নিচ্ছেন ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে।

সমাবর্তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করবেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেল বিজয়ী ফরাসী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জ্যঁ তিরোল।

ঢাবির এবারের ৫৩তম সমাবর্তনে অংশ নিচ্ছেন ৩০ হাজার ৩৪৮ জন গ্র্যাজুয়েট ও গবেষক। এর মধ্যে অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ৭ হাজার ৭৯৬ জন।

প্রসঙ্গত, শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে ঢাবির অধিভুক্ত করা হয়। কলেজগুলো হলো, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ। অধিভুক্তির পর থেকে এসব কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি, পরীক্ষা কার্যক্রম, প্রশ্ন প্রণয়ন, সার্টিফিকেট প্রদানসহ সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে সাত কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। যেখানে,মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, আগামী শনিবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ও উপাদনকল্পে পরিচালিত ১৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তন হলো একজন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে স্মরণীয় দিন। যেখানে শিক্ষার্থীকে একজন সর্বোচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা সনদ হস্তান্তরের মাধ্যমে সম্মানিত করে থাকেন। কিন্তু সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা এ ধরনের আয়োজন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমাবর্তন দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে সমাবর্তনের কার্যত কোনো উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বর্তমান পৃথিবীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হলেও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে স্ক্রিন সমাবর্তন।

তারা দাবি করেন, সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের চাওয়া এমন একটি সমাবর্তন, যেখানে সরাসরি রাষ্ট্রপতি, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, একজন সমাবর্তন বক্তাসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।

স্বাধীন জনপদের সাথেই থাকুন

সম্পর্কিত সংবাদ

স্বাস্থ্যকথা

- Advertisment -

ইসলাম